ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্ট

Rate this post

আপনার কিডনি কতটা কার্যকরভাবে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে দিচ্ছে, তা বোঝার জন্য ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্ট করা হয়। ‘ইজিএফআর’ মানে estimated Glomerular Filtration Rate (আনুমানিক গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট) এবং ‘এমডিআরডি’ হলো Modification of Diet in Renal Disease ফর্মুলার সংক্ষিপ্ত রূপ—একটি পুরনো কিন্তু বহুল ব্যবহৃত গণনা পদ্ধতি। বাংলাদেশের অনেক ল্যাব রিপোর্টেই এই ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়, তাই রোগীদের জন্য এটি বোঝা জরুরি। এই পরীক্ষাটি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, বা কিডনি রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে নিয়মিত করানো হয়, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি সমস্যা ধরা পড়লে চিকিৎসা আরও কার্যকর হতে পারে।

Table of Contents

ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্ট কী এবং কেন করা হয়?

ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্ট মূলত একটি রক্ত পরীক্ষা যা আপনার কিডনির ফিল্ট্রেশন ক্ষমতা অনুমান করে। এটি সরাসরি GFR মাপে না, বরং সিরাম ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা, আপনার বয়স, লিঙ্গ এবং (ঐতিহ্যগতভাবে) রেসের ভিত্তিতে একটি গাণিতিক সূত্র ব্যবহার করে GFR-এর আনুমানিক মান বের করে। এমডিআরডি ফর্মুলাটি ১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্লিনিক্যালি ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই পরীক্ষা কেন করা হয়? প্রধানত নিচের কারণে:

  • দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (CKD) শনাক্তকরণ ও পর্যবেক্ষণ
  • কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়ন, বিশেষ করে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে
  • কিডনি-সম্পর্কিত ওষুধের ডোজ নির্ধারণে সহায়তা
  • কিডনি রোগের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের স্ক্রিনিং (যেমন: পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস)

মনে রাখবেন, ইজিএফআর একটি স্ক্রিনিং টুল; চূড়ান্ত রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও অন্যান্য পরীক্ষা (যেমন ইউরিন R/E, ইউরিন ACR) প্রয়োজন।

পরীক্ষার আগে কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে?

ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্টের জন্য সাধারণত রাতারাতি উপবাসের প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা ভালো:

  • পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত পানি পান করুন—ডিহাইড্রেশন ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • কিছু ওষুধ যেমন নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (NSAIDs), কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, বা রক্তচাপের ওষুধ ইজিএফআর-এর ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই আপনি যে কোনো ওষুধ খাচ্ছেন, তা ডাক্তারকে জানিয়ে দিন।
  • পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া (প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার) ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা সাময়িকভাবে বাড়াতে পারে, তবে সাধারণত এটি ফলাফলে বড় পরিবর্তন আনে না।
  • কোনো বিশেষ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে ডাক্তার নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা দিলে সেটি মেনে চলুন।

সর্বোপরি, ল্যাবের নির্দেশনা অনুসরণ করাই যথেষ্ট।

ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্টের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক মান

ইজিএফআর-এর মান mL/min/1.73m² এককে প্রকাশ করা হয়। নিচের টেবিলটি সাধারণ রেঞ্জ ও তাদের অর্থ বুঝতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বাভাবিকভাবেই ইজিএফআর কিছুটা কমতে পারে—একজন ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তির ৭৫-৮০ mL/min/1.73m²-এর মান স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হতে পারে।

ইজিএফআর রেঞ্জ (mL/min/1.73m²) অর্থ কিডনি স্টেজ (যদি প্রযোজ্য)
≥ ৯০ স্বাভাবিক বা উচ্চ স্টেজ ১ (যদি ইউরিনে অস্বাভাবিকতা থাকে)
৬০-৮৯ মৃদু হ্রাস স্টেজ ২ (যদি ইউরিনে অস্বাভাবিকতা থাকে)
৩০-৫৯ মাঝারি হ্রাস স্টেজ ৩ (CKD)
১৫-২৯ গুরুতর হ্রাস স্টেজ ৪ (CKD)
< ১৫ কিডনি ফেইলিওর স্টেজ ৫ (এন্ড-স্টেজ রেনাল ডিজিজ)

সতর্কতা: শুধু ইজিএফআর-এর মান দিয়ে কিডনি রোগ নির্ণয় করা যায় না। চিকিৎসক ইউরিন পরীক্ষা, ইমেজিং, এবং রোগীর সম্পূর্ণ ক্লিনিকাল অবস্থা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন। যদি আপনার ইজিএফআর ৬০-এর নিচে হয়, তাহলে অবশ্যই একজন নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

এমডিআরডি ও সিকেডি-ইপিআই ফর্মুলার মধ্যে পার্থক্য কী?

ইজিএফআর গণনার জন্য একাধিক ফর্মুলা আছে, যার মধ্যে এমডিআরডি (MDRD) এবং সিকেডি-ইপিআই (CKD-EPI) সবচেয়ে পরিচিত।

  • এমডিআরডি: পুরনো ফর্মুলা, যা ১৯৯৯ সালে তৈরি। এটি কম ক্রিয়েটিনিনের মাত্রায় (অর্থাৎ উচ্চ GFR-এ) কম নির্ভুল হতে পারে। এছাড়াও এটি রেস ফ্যাক্টর ব্যবহার করে (আফ্রিকান আমেরিকানদের জন্য আলাদা গুণক), যা বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য নয়।
  • সিকেডি-ইপিআই: নতুন ফর্মুলা (২০০৯), যা বেশি নির্ভুল, বিশেষ করে যখন GFR ৬০ mL/min/1.73m²-এর উপরে। এটি রেস ফ্যাক্টর কম ব্যবহার করে এবং সাধারণ জনগোষ্ঠীর জন্য আরও উপযুক্ত।

বাংলাদেশের অনেক ল্যাব এখনও এমডিআরডি ব্যবহার করে, তবে ধীরে ধীরে সিকেডি-ইপিআই-তে স্থানান্তর হচ্ছে। আপনার রিপোর্টে ফর্মুলার নাম উল্লেখ থাকলে তা দেখে নিন। যদি সিকেডি-ইপিআই ব্যবহার করা হয়, তবে তা সাধারণত বেশি নির্ভরযোগ্য বলে ধরা হয়। তবে উভয় ফর্মুলাই ইজিএফআর অনুমান করে—একটি অন্যটির চেয়ে ভালো বা খারাপ নয়, বরং প্রেক্ষাপটে ভিন্ন।

বাংলাদেশে ইজিএফআর (এমডিআরডি) পরীক্ষার খরচ

বাংলাদেশে ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্টের খরচ ল্যাবের মান, শহর ও প্যাকেজের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। নিচে একটি আনুমানিক ধারণা দেওয়া হলো। দয়া করে পরীক্ষা দেওয়ার আগে নির্দিষ্ট ল্যাবে যোগাযোগ করে বর্তমান মূল্য নিশ্চিত করুন।

পরীক্ষা/আইটেম আনুমানিক খরচ (বাংলাদেশি টাকায়) মন্তব্য
শুধু ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্ট ২০০ – ৮০০ টাকা সাধারণত সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর একসঙ্গে দেওয়া হয়।
কিডনি ফাংশন প্যানেল (ক্রিয়েটিনিন + ইজিএফআর + ইউরিন R/E + BUN) ৫০০ – ১,৫০০ টাকা প্যানেলে সাধারণত কম খরচে বেশি পরীক্ষা করা যায়।
ডায়াবেটিস ও কিডনি স্ক্রিনিং প্যাকেজ (RBS, HbA1c, creatinine, eGFR, urinalysis) ১,০০০ – ২,৫০০ টাকা বিভিন্ন ল্যাবে প্যাকেজের নাম ও দাম ভিন্ন।

মনে রাখবেন: সরকারি হাসপাতালে খরচ অনেক কম হতে পারে, তবে বেসরকারি ল্যাবে দাম বেশি। দাম সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়, তাই পরীক্ষার আগে ল্যাবে জেনে নিন।

কখন ডাক্তার দেখানো জরুরি?

ইজিএফআর টেস্টের ফলাফল অস্বাভাবিক হলে বা নিচের কোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত একজন চিকিৎসকের (বিশেষ করে নেফ্রোলজিস্ট) পরামর্শ নিন:

  • পা, গোড়ালি বা চোখের চারপাশে ফোলাভাব
  • প্রস্রাবে ফেনা বা রক্ত আসা
  • অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা দুর্বলতা
  • ক্ষুধামান্দ্য বা বমি বমি ভাব
  • উচ্চ রক্তচাপ যা নিয়ন্ত্রণে আসছে না
  • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া বা রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া

এছাড়াও, যদি আপনার ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকে, তাহলে বছরে অন্তত একবার ইজিএফআর পরীক্ষা করানো ভালো। প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ ধরা পড়লে জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ওষুধের মাধ্যমে এর অগ্রগতি ধীর করা সম্ভব।

বিভাগ অনুযায়ী নেফ্রোলজিস্ট ডাক্তার খুঁজুন

আপনার এলাকায় একজন অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞ (নেফ্রোলজিস্ট) খুঁজতে নিচের টেবিলটি ব্যবহার করুন। প্রতিটি বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করে ডাক্তারদের তালিকা দেখতে পারবেন।

বিভাগ ডাক্তার খুঁজুন
ঢাকা ঢাকায় কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজুন
চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজুন
খুলনা খুলনায় টপ কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
রাজশাহী রাজশাহীতে কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
রংপুর রংপুরে কিডনি বিশেষজ্ঞ বিশেষজ্ঞ
সিলেট সিলেটে কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজুন
বরিশাল বরিশালে টপ কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
ময়মনসিংহ ময়মনসিংহে কিডনি বিশেষজ্ঞ বিশেষজ্ঞ

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ইজিএফআর (এমডিআরডি) টেস্টের ফলাফল কি বয়স ও লিঙ্গের উপর নির্ভর করে?

হ্যাঁ, ইজিএফআর মান স্বাভাবিকভাবে বয়স ও লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট (জিএফআর) কমতে থাকে—এটি স্বাভাবিক বার্ধক্যজনিত পরিবর্তন। নারীদের তুলনায় পুরুষদের সাধারণত সামান্য বেশি ইজিএফআর থাকে। তবে এমডিআরডি ফর্মুলা মূলত বয়স, লিঙ্গ ও সিরাম ক্রিয়েটিনিন ব্যবহার করে হিসাব করে, কিন্তু জাতিগত পার্থক্য (যেমন আফ্রিকান-আমেরিকান) বিবেচনায় নেয় না। বাংলাদেশি প্রেক্ষাপটে ফলাফল ব্যাখ্যার সময় চিকিৎসক বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী মূল্যায়ন করে থাকেন।

যদি আমার ইজিএফআর মান কম আসে, তাহলে কি আমি নিশ্চিতভাবে কিডনি রোগী?

না, একবারের কম ইজিএফআর মানই কিডনি রোগ নিশ্চিত করে না। কিডনির কার্যকারিতা সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে ডিহাইড্রেশন, সংক্রমণ, কিছু ওষুধ বা অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার কারণে। সত্যিকার অর্থে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (সিকেডি) নির্ণয়ের জন্য কমপক্ষে তিন মাসের ব্যবধানে দুবার পরীক্ষা করে ইজিএফআর ৬০ মিলি/মিনিট/১.৭৩ বর্গমিটারের নিচে থাকতে হবে এবং সেইসঙ্গে ইউরিন অ্যালবুমিন বা অন্য কোনো কিডনি ক্ষতির চিহ্ন থাকতে হবে। তাই কম ফলাফল পেলেই আতঙ্কিত না হয়ে একজন নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

ইজিএফআর টেস্ট কি খালি পেটে করতে হবে নাকি খাবার খাওয়া যাবে?

সাধারণত ইজিএফআর টেস্টের জন্য খালি পেটে থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বেশিরভাগ ল্যাব সিরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষার জন্য ৮-১২ ঘণ্টা উপবাসের পরামর্শ দেয়, কারণ ভারী মাংসজাতীয় খাবার খেলে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে, যা ফলাফলকে প্রভাবিত করে। এছাড়া অতিরিক্ত পানি পানও এড়িয়ে চলা ভালো। তাই ল্যাবের নির্দেশনা অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

এমডিআরডি ফর্মুলা কি এখনও নির্ভরযোগ্য? নাকি সিকেডি-ইপিআই বেশি ভালো?

এমডিআরডি ফর্মুলা অনেক বছর ধরে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে সিকেডি-ইপিআই (CKD-EPI) ফর্মুলাকে অধিক নির্ভরযোগ্য বলে মনে করা হয়, বিশেষ করে যখন ইজিএফআর মান ৬০-এর ওপরে থাকে। সিকেডি-ইপিআই কম বয়সীদের ক্ষেত্রে বেশি নির্ভুল এবং কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায় ভালোভাবে শনাক্ত করে। বাংলাদেশের অনেক ল্যাব এখনও এমডিআরডি ব্যবহার করে, তবে রিপোর্টে যদি উভয় ফর্মুলার ফলাফল দেওয়া থাকে, তাহলে সিকেডি-ইপিআই মানকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। তবে উভয়ই আনুমানিক হিসাব; প্রকৃত কিডনি কার্যকারিতা পরিমাপের জন্য আরও জটিল পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।

ইজিএফআর টেস্টের ফলাফল কতদিন পর পর চেক করা উচিত?

এটি নির্ভর করে আপনার স্বাস্থ্য অবস্থা ও ঝুঁকির ওপর। সুস্থ ব্যক্তির জন্য নিয়মিত ইজিএফআর চেক করার প্রয়োজন নেই। তবে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, বা কিডনি রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে বছরে অন্তত একবার পরীক্ষা করানো ভালো। যদি ইজিএফআর ইতিমধ্যে ৬০-এর নিচে থাকে বা দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ ধরা পড়ে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ৩-৬ মাস অন্তর পরীক্ষা করতে হতে পারে। নিজে থেকে সময় নির্ধারণ না করে নেফ্রোলজিস্টের নির্দেশনা মেনে চলুন।

তথ্যসূত্র

উপরের তথ্যসূত্রগুলো আন্তর্জাতিক জার্নাল, সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা বা স্বীকৃত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া: