যোনিপথে চুলকানি হওয়ার কারণ?

Rate this post

যোনিপথে চুলকানি একটি অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা, যা বাংলাদেশের অনেক নারীই লজ্জায় বা সামাজিক বাধার কারণে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন না। কিন্তু সত্যটি হলো — এটি কোনো লজ্জার বিষয় নয়। বরং সঠিক কারণ জানা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়াই জরুরি।

চুলকানির পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে — সংক্রমণ, অ্যালার্জি, হরমোনের পরিবর্তন বা ত্বকের সমস্যা। অনেক সময় নিজে থেকে ঘরোয়া পদ্ধতি, যেমন ফিটকিরি বা লবণ পানি দিয়ে পরিষ্কার করা, পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেয়। এই নিবন্ধে আমরা সম্ভাব্য কারণ ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করব, যাতে আপনি বুঝতে পারেন কখন একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

Table of Contents

ইস্ট ইনফেকশন (ছত্রাক সংক্রমণ): সবচেয়ে সাধারণ কারণ

যোনিপথে চুলকানির সবচেয়ে ঘন ঘন কারণ হলো ক্যান্ডিডা নামক এক ধরনের ছত্রাকের অতিবৃদ্ধি। এটি ইস্ট ইনফেকশন নামে পরিচিত। আমাদের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কিছু ছত্রাক থাকে, কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে এদের সংখ্যা বেড়ে গেলে সংক্রমণ হয়।

যেসব কারণে ইস্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে:

  • অ্যান্টিবায়োটিক সেবন: ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে, যার ফলে ছত্রাক বেড়ে যায়।
  • ডায়াবেটিস: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে যোনিপথের পরিবেশ ছত্রাকের জন্য অনুকূল হয়।
  • গর্ভাবস্থা ও হরমোনের পরিবর্তন: ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলে ছত্রাক বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • ইমিউনিটি কমে যাওয়া: দীর্ঘমেয়াদী অসুখ বা স্টেরয়েড ওষুধের ব্যবহারে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হলে সংক্রমণ সহজে হয়।

লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকে: ঘন, সাদা, দইয়ের মতো স্রাব, যোনিপথে ও বাইরের অংশে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া, প্রস্রাব বা সহবাসের সময় ব্যথা। তবে মনে রাখবেন, শুধু চুলকানি দেখেই ইস্ট ইনফেকশন নিশ্চিত করা যায় না — সঠিক রোগনির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের প্রয়োজন।

ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস ও ট্রাইকোমোনিয়াসিস: আরও দুটি সংক্রমণ

ইস্ট ইনফেকশনের পাশাপাশি আরও দুটি সংক্রমণে চুলকানি হতে পারে: ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস (বিভি) এবং ট্রাইকোমোনিয়াসিস। এদের লক্ষণ ও চিকিৎসা ভিন্ন, তাই সঠিক কারণ শনাক্ত করা জরুরি। বিভি সাধারণত যোনির স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলে হয়, আর ট্রাইকোমোনিয়াসিস একটি যৌনবাহিত সংক্রমণ।

নিচের টেবিলে তিনটি সংক্রমণের তুলনামূলক তথ্য দেওয়া হলো:

সংক্রমণের ধরন সাধারণ লক্ষণ স্রাবের ধরন চুলকানির তীব্রতা চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা
ইস্ট ইনফেকশন ঘন চুলকানি, জ্বালা, ব্যথা সাদা, ঘন, দইয়ের মতো মাঝারি থেকে তীব্র অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ (চিকিৎসকের পরামর্শে)
ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস মাছের গন্ধ, হালকা চুলকানি ধূসর বা সাদা, পাতলা, দুর্গন্ধযুক্ত হালকা থেকে মাঝারি অ্যান্টিবায়োটিক (চিকিৎসকের পরামর্শে)
ট্রাইকোমোনিয়াসিস প্রচুর চুলকানি, জ্বালা, প্রস্রাবে ব্যথা সবুজ-হলুদ, ফেনাযুক্ত, দুর্গন্ধযুক্ত মাঝারি থেকে তীব্র অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ওষুধ (চিকিৎসকের পরামর্শে)

টেবিল থেকে স্পষ্ট যে তিনটি সংক্রমণের চিকিৎসা আলাদা। নিজে থেকে ইস্ট ইনফেকশনের ক্রিম কিনে লাগালে যদি আসলে ট্রাইকোমোনিয়াসিস হয়, তাহলে কোনো উপকার হবে না। তাই সঠিক রোগনির্ণয়ের জন্য গাইনোকোলজিস্টের কাছে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

অ্যালার্জি ও পরিবেশগত জ্বালা: সাবান, প্যাড ও কাপড়

বাংলাদেশের গরম-আর্দ্র আবহাওয়ায় যোনিপথের চারপাশের ত্বক সহজেই জ্বালাপোড়া ও অ্যালার্জির শিকার হয়। কিছু সাধারণ জিনিস চুলকানির কারণ হতে পারে:

  • সাবান ও বডি ওয়াশ: সুগন্ধি বা রাসায়নিকযুক্ত সাবান যোনির সংবেদনশীল ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে।
  • ডিটারজেন্ট ও ফেব্রিক সফটনার: অন্তর্বাস ধোয়ার সময় ব্যবহৃত কেমিক্যাল ত্বকে লেগে থেকে চুলকানি তৈরি করতে পারে।
  • স্যানিটারি প্যাড ও টিস্যু: কিছু ব্র্যান্ডের প্যাড বা পারফিউমযুক্ত টিস্যু থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে।
  • আঁটসাঁট সিন্থেটিক অন্তর্বাস: বায়ু চলাচল করে না, ফলে ঘাম জমে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
  • কন্ডোম বা লুব্রিকেন্ট: ল্যাটেক্স বা নির্দিষ্ট রাসায়নিকের প্রতি অ্যালার্জি থাকলে চুলকানি হতে পারে।

এছাড়া বাংলাদেশে অনেক নারী ফিটকিরি, লবণ পানি বা তেজপাতা ফুটানো পানি দিয়ে যোনি পরিষ্কার করেন — এটি একটি ভুল ধারণা। এসব পদ্ধতি যোনির স্বাভাবিক পিএইচ ও ব্যাকটেরিয়া ব্যালেন্স নষ্ট করে, ফলে চুলকানি আরও বেড়ে যায়। সঠিক উপায় হলো শুধু হালকা গরম পানি দিয়ে বাইরের অংশ ধোয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

হরমোনের পরিবর্তনে চুলকানি: মেনোপজ, গর্ভাবস্থা ও আরও

মেয়েদের জীবনের বিভিন্ন ধাপে হরমোনের মাত্রার ওঠানামা যোনিপথের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।

  • মেনোপজ: ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়ায় যোনির মিউকোসা শুষ্ক, পাতলা ও দুর্বল হয়ে যায়। এর ফলে চুলকানি, জ্বালা ও সহবাসে ব্যথা হতে পারে। একে অ্যাট্রফিক ভ্যাজিনাইটিস বলে।
  • গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো: হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অনেক নারীর যোনিপথে চুলকানি ও সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • বয়ঃসন্ধি ও মাসিক চক্র: ইস্ট্রোজেনের মাত্রা পরিবর্তনের ফলে মাঝে মাঝে চুলকানি হতে পারে।

ডায়াবেটিসের প্রসঙ্গ: যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের ইস্ট ইনফেকশন ও চুলকানি বেশি হয়। শর্করা সমৃদ্ধ পরিবেশ ছত্রাকের জন্য আদর্শ। তাই বারবার যোনিপথে চুলকানি হলে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানোও গুরুত্বপূর্ণ।

কখন ডাক্তার দেখাবেন? সতর্কতার সংকেত

নিচের কোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন:

  • চুলকানির সঙ্গে জ্বর, তলপেটে ব্যথা বা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া থাকলে
  • অস্বাভাবিক স্রাব (দুর্গন্ধযুক্ত, সবুজ-হলুদ, ফেনাযুক্ত বা রক্তমাখা) দেখা দিলে
  • চুলকানি এক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে বা ঘরোয়া ব্যবস্থায় না কমলে
  • বারবার একই সমস্যা ফিরে এলে
  • সহবাসের পর চুলকানি বা ব্যথা বাড়লে

মনে রাখবেন, ওভার-দ্য-কাউন্টার অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা অন্যান্য ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া ওষুধ কাজ নাও করতে পারে, এমনকি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হতে পারে। একজন গাইনোকোলজিস্ট শারীরিক পরীক্ষা, পিএইচ টেস্ট, মাইক্রোস্কোপি বা কালচারের মাধ্যমে সঠিক কারণ বের করে উপযুক্ত চিকিৎসা দেবেন।

বিভাগ অনুযায়ী গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার খুঁজুন

আপনার কাছের একজন অভিজ্ঞ গাইনোকোলজিস্ট খুঁজতে নিচের লিঙ্কগুলি ব্যবহার করুন:

বিভাগ ডাক্তার খুঁজুন
ঢাকা ঢাকায় গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
খুলনা খুলনায় গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
রাজশাহী রাজশাহীতে গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
রংপুর রংপুরে গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
সিলেট সিলেটে গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
বরিশাল বরিশালে গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার
ময়মনসিংহ ময়মনসিংহে গাইনোকোলজিস্ট ডাক্তার

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

যোনিপথে চুলকানির জন্য কি ঘরোয়া চিকিৎসা যেমন দই বা নিমপাতা ব্যবহার করা নিরাপদ?

ঘরোয়া পদ্ধতি যেমন দই (প্রোবায়োটিক) বা নিমপাতার ব্যবহার নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। দইয়ে থাকা ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া কিছু ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে, কিন্তু এটি যোনিপথের অভ্যন্তরে প্রয়োগ করলে জ্বালা বা ইনফেকশন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। নিমপাতার পেস্ট বা ক্বাথ প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হলেও এর ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন এবং এটি ত্বকের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসা করতে গিয়ে মূল সমস্যা (যেমন ইস্ট বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন) আরও খারাপ হতে পারে। তাই ঘরোয়া পদ্ধতি শুরু করার আগে একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

যোনিপথের চুলকানি কি যৌনবাহিত সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে?

হ্যাঁ, কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ (STI) যেমন ট্রাইকোমোনিয়াসিস, জেনিটাল হারপিস বা ক্ল্যামাইডিয়ার কারণে যোনিপথে চুলকানি হতে পারে। ট্রাইকোমোনিয়াসিসের ক্ষেত্রে চুলকানির পাশাপাশি সবুজ বা হলুদ রঙের দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও তলপেটে ব্যথা দেখা দিতে পারে। হারপিসে ফোসকা ও ঘা হয়। তবে শুধু চুলকানি দেখে STI নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সম্পর্ক বা একাধিক সঙ্গীর ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা করানো জরুরি। সঠিক কারণ নির্ণয় না করে ওষুধ খাওয়া বা ঘরোয়া চিকিৎসা করলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বারবার ইস্ট ইনফেকশন হলে কী করণীয়? জীবনযাত্রায় কী পরিবর্তন আনতে হবে?

বারবার ইস্ট ইনফেকশন (ছত্রাক সংক্রমণ) হলে অন্তর্নিহিত কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। প্রথমত, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিনা তা পরীক্ষা করা উচিত, কারণ উচ্চ রক্তে শর্করা ইস্টের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। অ্যান্টিবায়োটিক বা ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকলেও সংক্রমণ পুনরাবৃত্তি হতে পারে। জীবনযাত্রায় পরিবর্তন হিসেবে: আঁটসাঁট সিন্থেটিক অন্তর্বাস পরিহার করে সুতি কাপড় পরা, আর্দ্র পরিবেশ এড়িয়ে যোনি অঞ্চল শুষ্ক রাখা, ওভার-দ্য-কাউন্টার অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা সাপোজিটরি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষুধ নেওয়া জরুরি। ডাক্তার কখনও কখনও প্রোবায়োটিক বা প্রতিরোধমূলক অ্যান্টিফাঙ্গাল থেরাপির সুপারিশ পারেন।

গর্ভাবস্থায় যোনিপথে চুলকানি হলে কী করা উচিত? এটা কি শিশুর জন্য ক্ষতিকর?

গর্ভাবস্থায় যোনিপথে চুলকানি সাধারণত ইস্ট ইনফেকশন, হরমোনের পরিবর্তন বা ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিসের কারণে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি শিশুর সরাসরি ক্ষতি করে না, তবে কিছু সংক্রমণ (যেমন ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস বা গনোরিয়া) অকাল প্রসব বা কম ওজনের শিশুর জন্মের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। গর্ভাবস্থায় কোনো ওষুধ বা ক্রিম নিজে থেকে ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রথমে একজন গাইনোকোলজিস্টকে জানিয়ে পরীক্ষা করানো জরুরি। চিকিৎসক গর্ভাবস্থায় নিরাপদ এমন অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দিতে পারেন। সাবান, প্যাড বা সুগন্ধিযুক্ত পণ্য পরিবর্তনের মাধ্যমেও চুলকানি কমতে পারে।

যোনিপথে চুলকানি দেখা দিলে কি সঙ্গীরও চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন?

সব ক্ষেত্রে সঙ্গীর চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। যদি কারণটি ইস্ট ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস হয়, তবে সাধারণত সঙ্গীর চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, কারণ এগুলো যৌনবাহিত সংক্রমণ নয় (তবে বিরল ক্ষেত্রে পুরুষের ত্বকে জ্বালা হতে পারে)। অন্যদিকে, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া বা ক্ল্যামাইডিয়ার মতো যৌনবাহিত সংক্রমণ শনাক্ত হলে সঙ্গীকেও একই সময়ে চিকিৎসা নিতে হবে, নয়তো পুনরায় সংক্রমণ হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসকই বলে দেবেন সঙ্গীর চিকিৎসা প্রয়োজন কি না। সাধারণত কনডম ব্যবহার সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।

তথ্যসূত্র

উপরের তথ্যসূত্রগুলো আন্তর্জাতিক জার্নাল, সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা বা স্বীকৃত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া: